First Casino In United Kingdom Having won a little money, many users, dazzled by the desire to win big, fall into this trap and can no longer imagine their lives without gambling. Play For Free Win Real Money Bingo Uk Again you can review them with no deposit using the fun play mode. Zeus Vs Hades App Review
দেবীদ্বার কুমিল্লা প্রতিনিধি
দেবীদ্বার মৈত্রী ইন্টার ন্যাশনাল স্কুলে বই উৎসবে সকল শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাকসহ বই বিতরণ ও মেধাবীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
শনিবার সকাল ১০টায় মৈত্রী ইন্টার ন্যাশনাল স্কুলে ওই অনুষ্ঠান করা হয়। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিমল চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে এবং আইটি প্রশিক্ষক নাজমুল হাসান নাহিদের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার। অন্যান্যদের মধ্যে নীতি নির্ধারনী বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফখরুল হাসান জুয়েল, শারমিন আক্তার, অভিভাবক মোঃ জামসেদ আলম শান্ত সরকারকার প্রমূখ।
আলোচনা শেষে সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, বই ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথি ও শিক্ষকগন। বর্তমানে স্কুলটির প্রাণ খ্যাত পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি গোলাম রব্বী প্লাবনের দ্রæত আরোগ্যলাভে দোয়া কামনা করা হয়। তিনি কয়েকদিন পূর্বে মাগরীবের নামাজ আদায়ে বাত রোমে অজু শেষে বের হওয়ার সময় অসতর্কতায় গরম পারি ভর্তি একটি বালতিতে পা’ পরে গেলে পা’ ঝলসে যায়। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটের চতুর্থ তলায় ৪০৩ নম্বর কক্ষে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মৈত্রী ইন্টার ন্যাশনাল’র ২৪ বছরে পদার্পণে আয়োজকরা বলেন মৈত্রী ইন্টার ন্যাশনাল স্কুলটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর ২০২৩ সালে ২৪ বছরে পদার্পণ করেছে। এসময় বিদ্যালয়টি চড়াই, উৎরাইয়ের মধ্যদিয়ে এখনো শিক্ষার আলো ছড়িয়ে এক অভ‚তপূর্ব অবদান রেখে যাচ্ছে।
মানবতার সেবায় ব্রত হয়ে একদল উদ্দীপ্ত তরুন- যুবক ১৯৯০ সালে “মৈত্রী সমাজ কল্যাণ সংস্থা” নামে একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর সমাজসেবা মূলক নানা কর্মসূচী হাতে এগুতে থাকে। একসময় এ সংগঠনটি ‘মেধাবী, কর্মঠ,সৎ, সাহসীদের ঠিকানা হিসেবে সমাধৃত হতে থাকে।
বণ্যা, ঘূর্নীঝরসহ নানা দূর্যেগে অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে সুনাম-সুখ্যাতী অর্জন করে।
এক সময় ‘মৈত্রী সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র স্থায়ীত্বকরণে উদ্দপ্ত যুব-তরুনদের মনে নতুন উদ্ভাবনী চিন্তা কাজ করতে থাকে। তা হল মৈত্রী ইন্টার ন্যাশনাল স্কুল’নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। দেবীদ্বারের শিশু শিক্ষার্থীদের চলমান একঘূঁয়ে শিক্ষার ব্যবস্থার পরিবর্তনে আধুনিক ও বিজ্ঞান সম্মত শিক্ষাদানের ব্রতে এলাকার অভিভাবক, শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ সর্বস্তনেরর সূধীজনদের সম্মতিতে দেবীদ্বারের প্রাণকেন্দ্র উপজেলার পূর্বপাশে দত্তভবনের পেছনে এক মনোরম পরিবেশে ‘‘মৈত্রী ইন্টার ন্যাশনাল স্কুল’ নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
এক ঝাঁক মেধাবী তরুন শিক্ষক মন্ডলী ও পরিচালনা পর্ষদের প্রচেষ্টায় ১৯৯০ সাল থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। তখন কুমিল্লা মুক্তি হসপিটালের স্বত্বাধিকার দেবীদ্বারের কৃতি সন্তান ডাঃ আব্দুল কুদ্দুস আখন্দকে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি করা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষা বোর্ডের প্রচলিত কারুকালামের সাথে বিভিন্ন প্রজেক্ট ওয়ার্ক, পেয়ার ওয়ার্ক, গ্রæপ ওয়ার্ক, করতে করতে শেখা, ছবি আঁকা, বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম, গান, নাচ, আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগীতাসহ সব ধরনের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। অল্প দিনেরই অভিভাবকদের ব্যপক সাড়া পাওয়া যায়। তখন প্রতিটা ক্লাশের জন্য দু’জন করে শিক্ষক নিধারিত ছিল। একটা সময় পরিচালনা পর্ষদ সদস্য এবং আয়োজকদের অনেকেই কর্মজীবনে পদার্পনের কারনে কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে।
বর্তমানে নতুন উদ্যমে নতুন কৌশলে পূর্বের ধারা অব্যাহত রেখে মান সসম্পন্ন শিক্ষক দারা বিদ্যালয়টি পরিচালিত হচ্ছে। বিদ্যালয়টি নিয়ন্ত্রনে একটি শক্তিশালী পরিচালনা পর্ষদও রয়েছে। দ্যিালয়টির একটি মাঠ রয়েছে, যে মাঠটি সচরাচর অন্যান্য বিদ্যালয়ে খুই কম পরিলক্ষিত হয়।
শিশুদের মনোরঞ্জনে ক্রীড়া-সংস্কৃতির পাশাপাশি বিনোদনে রয়েছে খেলাধূলার বেশ কিছু রাইটস,দেয়ালে দেয়ালে রয়েছে নানা শিক্ষনীয় চিত্র। যাতে আমার সোনার বাংলা গানের সাথে রবিঠাকুরের পরিচয়,রনসঙ্গীতের সাথে বিদ্রোহী কবির নজরুলে ছবি, মহান ভায়া আন্দোলন,মহান মুক্তি যুদ্ধ, ১৪ ডিসেম্বর শহীদদের ছবিসহ নাম,মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর শ্রেষ্ঠের ছবিসহ নাম,বাংলা, ইংরেজী,আরবী বর্ণমালায় সাজানো। সপ্তাহের নাম, মাসের নাম,৬ ঋতুর নাম অনেক কিছু সাজানো আছে। শ্রেণী কক্ষের শিক্ষার বাহিরেও যে কোন শিক্ষার্থী সাধারন জ্ঞানার্জনে দেয়ালে দেয়ালে সাজানো লেখা ও চিত্র দেখে অনেক অজানাকে জানতে পারবে। তাছাড়া মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্যও সকালে মক্তবের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মক্তব শাখাতেও ব্যপক সাড়া পড়েছে।